শাশ্বত
জীবন কিসের খোঁজ?
গুছোতে গুছোতেই
শেষ হয়ে যায়।
পথ খুঁজে পেলেই—
স্বস্তি পরগনা।
তঞ্চক পথে সব নিঃশেষ।
তারপর!
উড়ো খই ,হরিবোল ধ্বনি
চুল্লিতে তালগোল পাকিয়ে
জলে মিশেল খায় জীবন।
শুধু পড়ে থাকে—
কাম ক্রোধ লোভ মোহ মদ মাৎসর্য
ষড়রিপুর মনোলিথ।
এ কি নতুন কথা?
সবাই জানে।
তবু শেষ পোড়ার আগে
সারাজীবন ধরে পুড়তে থাকে অহরহ
এ মানবজীবন।
হৃদিনদ
তারপর–
হৃদিনদে ভেসে আসে
খড়কুটো অবয়বহীন।
মাস্তুলে আঁকড়ে থাকে
আবেগ সারাৎসার।
এ এক অন্য আকাশ—
নির্দ্বিধায় উড়তে থাকে
স্বেচ্ছাসেবক ঘুড়ি।
অভাব চূড়ান্ত বলেই
প্রবেশাধিকার শর্তহীন।
পানসি ভেসে যায়—
উপসংহারে
ঝড় ওঠে।
বিদ্যুৎ চমকায়।
হৃদিনদে জেগে ওঠে চর।
অধিকারের প্রশ্নবানে
বৃষ্টি নেমে আসে প্রবল।
এ এক মহাযোগ
এক মানসিক ব্যাধি।
আঁটোসাঁটো মন পুনরায়
ভাস্কোদাগামা হয়ে যায়।



