নুন পোড়া
পিঁপড়ে কেঁদে গেছে তার প্রাণে
তবু মেলেনি যে সঙ্গীত থাকে প্রত্যেক মিষ্টতায়
ঝিল পাড়ে, নারকেল বাগানের মাথায় সন্ধের মৃত তারারা
তাকে দেখে এবং সেও খেউরি নজরে সকল মিথ্যের সামনে যেন এক বিমূর্ত বিজ্ঞান
কে জানে টেলিস্কোপ হয়তো বা একটা হৃদয় যা দূরকে দেখে!
তবু তো নিরেট বলেই না প্রতিজ্ঞার মতো চেয়েছিল তোমাকে,
ঝর্নার মসৃণ পাথরে এখন দাঁড়াতে ভয় হয়
বড় ঘড়িতে যখন তেরোটা বাজে
প্রেত আসে মাথায়, অতীতের চুলচেরা কষ্ট, নিভে যায় বাতাস
‘মনে পড়ার শ্রম তুমি কী জানবে আর?’ বলে সে প্রতি রাতে
প্রেমিকার অনন্য ছায়াকে…
তারপর কোথাও কোনো মিষ্টতা নেই
নোনতা একটা ঘুমের ওপর দিয়ে মনমরা পিঁপড়েরা দল বেঁধে ফিরে যায়।



